সকালে খালি পেটে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী থাইরয়েডের ওষুধ খেতে হবে। ওষুধ খাওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে চা বা কফি খাওয়া যাবে না। ক্যালসিয়াম বা আয়রন ক্যাপসুল খেলে তা থাইরয়েডের ওষুধের অন্তত চার ঘণ্টা পর খাওয়া উচিত।
হাইপোথাইরয়েডের রোগীদের সকালের নাশতায় খেতে হবে প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার। সাথে রাখতে হবে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এতে বিপাকক্রিয়া ঠিকমতো হবে ও দিনভর শক্তি পাওয়া যাবে। নাশতায় আয়োডিন, সেলেনিয়াম এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার থাকাও জরুরি। সে জন্য খেতে পারেন সেদ্ধ ডিম বা ডিমের পোচ। ডিমের কুসুমে সেলেনিয়াম ও আয়োডিন থাকে। সাদা অংশে থাকে প্রোটিন।
নানা ধরনের বাদাম খাওয়া এ সময়ে ভালো। কাঠবাদাম ও ওট্স মিল্কের স্মুদি খেতে পারেন। এক কাপ কাঠবাদামের দুধ, আধ কাপ রোল্ড ওট্স, আধ কাপ কাঠবাদাম, এক চামচ চিয়া বা তিসি অথবা কুমড়োর বীজ নিন। এর সাথে এক স্কুপ প্রোটিন পাউডার বা একটি পাকা কলা মেশাতে পারেন। সব উপকরণ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। সকালে এই স্মুদি খেলে প্রোটিন, ভিটামিন ও ফাইবারের চাহিদা পূরণ হবে।
প্রতিদিনের খাবারের মেনুতে টকদই রাখতেই হবে। দই প্রোবায়োটিকের ভালো উৎস।
কী কী খাবেন না?
সয়াবিন, সয়া মিল্ক বা টোফু খাওয়া যাবে না।
বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকোলি, ওলকপি বেশি না খাওয়াই ভালো।
সকালের কফি বা চা না খাওয়াই ভালো। খাবার খাওয়ার পরে গ্রিন টি খেতে পারেন।
সাদা পাউরুটি, পেস্ট্রি বা চিনিযুক্ত খাবার, প্যাকেটজাত ফলের রস, প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত চিনি দেয়া ব্রেকফাস্ট-সিরিয়াল কম খাওয়াই ভালো। ইন্টারনেট।



