আমড়াকে গোল্ডেন অ্যাপেলও বলা হয়। পুষ্টিতে ভরপুর আমড়া ল্যাটিন আমেরিকার স্থানীয় ফল হলেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে এর জনপ্রিয়তা ও উৎপাদন অনেক বেশি। আমড়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ফাইবার সমৃদ্ধ ফল এবং এর ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম।
আমড়ার ভিটামিন সি ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এ ছাড়া, আমড়ার ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং কোলাজেনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। কোলাজেন স্কিন, লিগামেন্ট, টেন্ডন ও কার্টিলেজকে সুস্থ রাখে। দৈনিক আয়রনের চাহিদার ৩৫% পূরণ হয় মাত্র একটি আমড়া খেলে। শরীরের সার্বিক কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য আয়রনের প্রয়োজন হয়। সারা শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ করে হিমোগ্লোবিন ও মায়োগ্লোবিন নামক দু’টি উপাদান।
আর, রক্তে এই দু’টি উপাদান উৎপাদনে সাহায্য করে আয়রন। আয়রন জাতীয় খাবার বেশি খেলে রক্তের লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদনও বৃদ্ধি পায়। আমড়া সার্বিক কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমায়। তাই, আমড়া খাওয়া হার্টের সুস্থতার জন্য খুবই ভালো। ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় আমড়া দেহের সার্বিক ওজন কমাতেও সাহায্য করে। আমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা খাদ্য আঁশ থাকে যা বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। ত্বক, চুল ও নখ ভালো রাখতেও সাহায্য করে আমড়া। মাঁড়ি ও দাঁতের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে, ঠাণ্ডা ও কাশি নিরাময়ে এবং হাড়ের রোগ ও পেশির খিঁচুনি প্রতিরোধে আমড়ার ভূমিকা অতুলনীয়। ইন্টারনেট।



