দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ায় আগামী নবম জাতীয় বেতন স্কেলে সারা দেশের পাঁচ লাখের বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (বাকশিস)। তারা বলেছে, আলাদা কোনো পে-স্কেলের নামে সময়ক্ষেপণ না করে সরকারি শিক্ষকদের সাথেই প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
শনিবার রাজধানীর এনআইএসটি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের বর্ধিত সভায় এ দাবি জানানো হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাকশিস সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হক। সভায় বক্তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্ব গভর্নিং বডির হাতে ফেরত না দিয়ে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনেই রাখার ওপর জোর দেন। অন্যথায় শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের নৈরাজ্য সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ কমিশন গঠন এবং জাতীয়করণের লক্ষ্যে ১২ দফা দাবি জানানো হয়।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের প্রাপ্য অর্থ কিস্তিতে পরিশোধের সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে এককালীন দেয়ার দাবি জানান শিক্ষক নেতারা। এ ছাড়া সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শিক্ষক নির্যাতন, বরখাস্ত ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সুষ্ঠু বিচারের দাবি তোলা হয়।
সভায় সংগঠনটির জেলা ও মহানগরের সম্মেলন ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ করার সিদ্ধান্ত হয়। একই সাথে আগামী ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। বিজ্ঞপ্তি।



