চট্টগ্রাম ব্যুরো
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসনে প্রকল্প নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিটি মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ৩৬টি খাল পুনঃখনন ও সংস্কার কাজ শেষ হলে প্রকল্পের অধীন খালগুলো সংরক্ষণ এবং প্রকল্পের বাইরে থাকা বাকি খালগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো পুনঃখনন ও সংস্কার করার জন্য ডিপিপি প্রণয়ন করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে খালসংলগ্ন এলাকাগুলোকে সৌন্দর্যবর্ধন করে পর্যটনস্পট গড়ে তোলার বিষয়টি প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে বলেও জানান মেয়র।
গতকাল বুধবার চসিক সম্মেলন কক্ষে কনসালট্যান্সি প্রতিষ্ঠান আওয়ার পালস পয়েন্টের প্রতিনিধিরা এ বিষয়ে পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করেন। তারা ৩৬টি খাল পুনঃখনন ও সংস্কার কাজ শেষ হলে প্রকল্পের অধীন খালগুলো কিভাবে সংরক্ষণ করা হবে এবং প্রকল্পের বাইরে থাকা বাকি খালগুলো কিভাবে চিহ্নিত করা হবে এবং খনন করা হবে সে বিষয়ে রূপরেখা তুলে ধরেন। তারা স্মার্ট ড্রেনেজ নামের একটি অনলাইন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার পরিকল্পনা জানান, যেটিতে জলাবদ্ধতা বিষয়ে জনগণ সরাসরি ছবি তুলে অভিযোগ ও পরামর্শ জানাতে পারবে।
এতে বক্তব্য দেন- চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো: আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) ফরহাদুল আলম মোহাম্মদ শাহীন-উল ইসলাম চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, আবু সাদাত তৈয়ব, মেয়রের জলাবদ্ধতাবিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ, কনসালট্যান্সি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিবৃন্দ, ড্যাব নেতা ডা: এস এম সারোয়ার আলম এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
প্রতিষ্ঠানটির উপস্থাপিত পাঁচ বছরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জিআইএস প্রযুক্তির মাধ্যমে নগরীর ৩৬টি খালের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও গভীরতা নিরূপণ করা হবে। এসব খাল থেকে প্রায় ১৬ লাখ ঘনমিটার পলি ও বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের প্রধান প্রধান খালগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।



