নয়া দিগন্ত ডেস্ক
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার কথা থাকলেও ইসরাইলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে। গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্যসেবা সূত্র জানিয়েছে, জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের আবু হুসেইন স্কুলে ইসরাইলি গোলাবর্ষণে অন্তত পাঁচজন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। স্কুলটি বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে আনাদোলু জানায়, গাজা সিটির তুফাহ এলাকায় সেনাফোর মোড়ে একটি ইসরাইলি ড্রোন হামলা চালায়। একই সময়ে মধ্য গাজার মাগাজি শরণার্থী শিবিরে ‘আল-আইদি’ ও ‘আল-হুমাইসি’ পরিবারের দু’টি বাড়ি খালি করার নির্দেশ দেয়ার পর সেগুলো বোমা মেরে ধ্বংস করা হয়।
পশ্চিম তীরে তিন বছরে ১৭ বছরের চেয়েও বেশি নিহত
আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থা অক্সফাম জানিয়েছে, ২০২৩ সাল থেকে ২০২৫ সালের শেষ পর্যন্ত অধিকৃত পশ্চিম তীরে যত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, তা আগের ১৭ বছরের মোট নিহতের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। জাতিসঙ্ঘের মানবিকবিষয়ক সমন্বয় দফতরের (ওসিএইচএ) তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এক বিশ্লেষণে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
গাজা ও পশ্চিম তীরে সঙ্কট আরো গভীর হচ্ছে
জেরুসালেমের লাতিন প্যাট্রিয়ার্ক কার্ডিনাল পিয়েরবাতিস্তা পিজ্জাবাল্লা বলেছেন, গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে মানবিক পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। প্যারিসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি (কার্ডিনাল) জানান, ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডজুড়ে সঙ্কট আরো তীব্র হয়েছে। তিনি বলেন, গাজার অধিকাংশ মানুষ এখন হয় তাঁবুতে, নয়তো ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বসবাস করছে। পুনর্গঠন কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি এবং এ বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনাও নেই। পিজ্জাবাল্লা সতর্ক করে বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত ও রাজনৈতিক সমাধানের অনুপস্থিতি শিশু ও পরিবারগুলোর ওপর গভীর মানসিক প্রভাব ফেলছে।



