টাইমস অব ইসরাইল
দক্ষিণ লেবাননে চলমান ‘সংবেদনশীল সামরিক অভিযান’ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ইসরাইল। ওয়াশিংটনের তীব্র কূটনৈতিক চাপের মুখে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে চলমান সঙ্কট নিরসনে মার্কিন প্রশাসন যখন মধ্যস্থতা চালিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই এই সেনা প্রত্যাহারের খবর সামনে এলো।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দক্ষিণ লেবাননের দু’টি পরীক্ষামূলক এলাকার (পাইলট জোন) প্রথমটি থেকে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইসরাইলি সৈন্যদের সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। গত মাসে ওয়াশিংটনে ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে একটি রূপরেখা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেই চুক্তি অনুযায়ী, জেরুসালেম দক্ষিণ লেবাননের দু’টি ছোট এলাকা থেকে তাদের সৈন্য সরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে। হিজবুল্লাহর অবকাঠামো থেকে মুক্ত করা এই এলাকাগুলোতে পরবর্তীতে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।
তবে ওই চুক্তির পর দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও ইসরাইলি বাহিনী এখনো পাইলট জোন হিসেবে চিহ্নিত দু’টি এলাকাতেই অবস্থান করছে। যুক্তরাষ্ট্র আগামী সপ্তাহে রোমে ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে পরবর্তী দফার আলোচনার সূচি নির্ধারণ করেছে, যেখানে মূল চুক্তির ওপর ভিত্তি করে আরো অগ্রগতির বিষয়ে কথা হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এই বিষয়ে অবগত একজন আরব কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বৈরুত স্পষ্ট করে দিয়েছে যে ইসরাইল সম্মত সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন না করা পর্যন্ত তারা এই নতুন আলোচনায় অংশ নেবে না। পাইলট জোন থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে ইসরাইলকে রাজি করাতে মার্কিন চাপ কিছুটা হলেও ইতিবাচক এবং সীমিত অগ্রগতি এনেছে।



