চুনতীর মাহফিলে ১০ম দিবসে বক্তারা

রাসূল সা:-এর আদর্শেই কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব

Printed Edition

রাসূলুল্লাহ সা:-এর আদর্শ অনুসরণ, কুরআন-সুন্নাহর জ্ঞানচর্চা এবং শরিয়তসম্মত জীবনযাপনের মাধ্যমেই কুসংস্কারমুক্ত ও মানবিক সমাজ গঠন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতীর শাহ্ মনজিল সিরাত ময়দানে অনুষ্ঠিত ১৯ দিনব্যাপী ৫৬তম আন্তর্জাতিক মাহফিলে সিরাতুন্নবী সা:-এর ১০ম দিবসের আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

গর্জনিয়া ফয়জুল উলুম ফাযিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আইয়ুবের সভাপতিত্বে এবং চুনতী হাকিমিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ফারুক হোসাইনের সঞ্চালনায় মাহফিলে মৃত্যু ও বারজাখ, খতমে নবুওয়াত, কুসংস্কার এবং মহানবী সা:-এর সমাজ সংস্কারমূলক অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়। হজরত আয়েশা ছিদ্দিকা (রা:) মহিলা মাদ্রাসার সুপার মাওলানা জালাল উদ্দিন বলেন, মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী। তাই ঈমান, নেক আমল ও আল্লাহর আনুগত্যের মাধ্যমে মৃত্যুর আগেই আখেরাতের প্রস্তুতি নিতে হবে। আধুননগর ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আলহাজ মাওলানা আবু মুসা খালেদ জমিল বলেন, মহানবী (সা:) আল্লাহর সর্বশেষ নবী ও রাসূল। খতমে নবুওয়াত ইসলামের মৌলিক আকিদার অংশ; এ বিষয়ে মুসলমানদের সচেতনতা থাকা জরুরি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাওলানা আ.জ.ম. কুতুবুল ইসলাম নোমানী বলেন, কুসংস্কার মানুষের ঈমান, চিন্তা ও সামাজিক জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কুরআন-সুন্নাহর সঠিক জ্ঞান ও শরিয়তসম্মত জীবনচর্চাই কুসংস্কার থেকে মুক্তির পথ। সাতকানিয়া এম. ইউ. ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ মুনিরুল আলম বলেন, মহানবী (সা:) জাহেলিয়াতের অন্ধকার দূর করে ন্যায়, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও শান্তির সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার আদর্শই মানবতার কল্যাণের সর্বোত্তম পথনির্দেশনা। মাহফিলে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা: মাহমুদুর রহমান ও মাওলানা আবু সালমান মুহাম্মদ আম্মার। বিজ্ঞপ্তি।