ক্রীড়া ডেস্ক
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। এই মহারণের আগে আবারো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে প্রায় দুই দশক আগের একটি ছবি, যেখানে দেখা যায় তরুণ মেসি শিশু ইয়ামালকে গোসল করাচ্ছেন। অনেকেই এতদিন ছবিটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় (এআই) তৈরি বা ভুয়া বলে মনে করলেও বাস্তবে এটি সম্পূর্ণ সত্য।
ছবিটি তোলা হয়েছিল ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে ইউনিসেফ ও বার্সেলোনা ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য। ওই প্রকল্পে লটারির মাধ্যমে স্থানীয় কয়েকটি পরিবার নির্বাচন করা হয়েছিল। সৌভাগ্যক্রমে সেই তালিকায় ছিলেন লামিন ইয়ামালের বাবা-মা। আর কাকতালীয়ভাবে তাদের কয়েক মাস বয়সী ছেলেকে ছবি তোলার জন্য জুটি করা হয়েছিল তখনকার ২০ বছর বয়সী বার্সেলোনার উদীয়মান তারকা লিওনেল মেসির সাথে।
ছবিটির আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ত জানান, সে সময় কেউই কল্পনা করতে পারেননি যে মেসির কোলে থাকা সেই শিশুই একদিন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় তারকায় পরিণত হবে। একই সাথে ছবিটিও ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্তে পরিণত হবে।
২০০৭ সালের জুলাইয়ে জন্ম নেয়া লামিন ইয়ামালের বয়স তখন ছিল মাত্র কয়েক মাস। অন্য দিকে ২০ বছর বয়সী মেসি তখন বার্সেলোনার ভবিষ্যৎ সুপারস্টার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পথে। ইয়ামাল পরে জানান, বহু বছর পর্যন্ত তিনি ছবিটির অস্তিত্বই জানতেন না। তার বাবা বিষয়টি জানালে এবং পরে ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে তিনি বিস্মিত হন। মেসির সাথে তুলনা প্রসঙ্গে স্পেনের এই উইঙ্গার বলেন, ‘ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়ের সাথে তুলনা হলে কেউই আপত্তি করবে না। তবে শেষ পর্যন্ত সেই তুলনা চাপ তৈরি করে, কারণ আপনি কখনোই তার মতো হতে পারবেন না।’
যদিও ওই ফটোশুট নিয়ে মেসি কখনো প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি, তবে তিনি একাধিকবার ইয়ামালের প্রশংসা করেছেন। আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেছেন, ইয়ামাল তাকে নিজের শুরুর দিনের কথা মনে করিয়ে দেয় এবং এত কম বয়সেই সে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার হয়ে উঠেছে।



