আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এক তালেবান কর্মকর্তাকে হত্যার বিরল একটি হামলার দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর আঞ্চলিক শাখা। একটি পর্যবেক্ষণ সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাদাখশান প্রদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান জাবিউল্লাহ আমিরি প্রাদেশিক রাজধানী ফয়জাবাদের পথে যাওয়ার সময় গুলিতে নিহত হন।
আফগানিস্তান ও পাকিস্তানভিত্তিক ইসলামিক স্টেট-খোরাসান (আইএস-খোরাসান) বুধবার দাবি করেছে, তারাই ওই হামলা চালিয়েছে।
পর্যবেক্ষণ সংস্থা সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপের উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে আইএস-খোরাসান বলেছে, ‘খিলাফতের যোদ্ধারা ধর্মত্যাগী তালেবান মিলিশিয়ার এক কমান্ডারকে মেশিনগান দিয়ে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে তিনি এবং তার এক দেহরক্ষী নিহত হন।’
আমিরি ছিলেন দক্ষিণাঞ্চলীয় হেলমান্দ প্রদেশের গভর্নর আমানউদ্দিন মানসুরের ভাতিজা।
আফগানিস্তানের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘কাপুরুষোচিত এই হামলার’ পর এক হামলাকারী নিহত হয়েছেন এবং আরেকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসলামী সরকারের শত্রুদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এ ধরনের কাপুরুষোচিত কর্মকাণ্ড কখনোই আমাদের দৃঢ় সংকল্প ও অবিচল প্রত্যয়কে দুর্বল করতে পারবে না।’
২০২১ সালে ক্ষমতায় ফেরার পর আফগানিস্তানে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয় তালেবান। তবে এরপরও দেশটিতে বিচ্ছিন্নভাবে হামলার ঘটনা ঘটছে।
এসব হামলার কয়েকটির দায় স্বীকার করেছে আইএসের আঞ্চলিক শাখা। এর মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কাবুলের কেন্দ্রস্থলে একটি চীনা রেস্তোরাঁয় বিস্ফোরণে কমপক্ষে সাতজন নিহত হওয়ার ঘটনাও রয়েছে।
এছাড়া ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলায় শরণার্থী বিষয়ক মন্ত্রী খলিল উর-রহমান হাক্কানি নিহত হওয়ার ঘটনায়ও দায় স্বীকার করেছিল গোষ্ঠীটি।
সূত্র: বাসস



