সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে ম্যারাথন বৈঠক শেষে ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর রোডম্যাপ তৈরিতে একমত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
সোমবার মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও কাতারের পক্ষ থেকে দেয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এই ঐতিহাসিক অগ্রগতির কথা জানানো হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার দু’দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ বা ‘ইসলামাবাদ এমওইউ’ এর আওতায় রোববার থেকে শুরু হয়ে সোমবার পর্যন্ত এই আলোচনা চলে। ফেব্রুয়ারির শেষে শুরু হওয়া যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যেই এই অন্তর্বর্তীকালীন শান্তিচুক্তিটি করা হয়েছে, যেখানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সই করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
এর আগে গত এপ্রিলে ইসলামাবাদে প্রথম দফার পর এটি ছিল দু’পক্ষের মধ্যে দ্বিতীয় দফার সরাসরি বৈঠক। পাকিস্তান ও কাতারের দেয়া যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, লেক লুসার্ন শীর্ষ সম্মেলনটি অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ পরিবেশে শেষ হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের রাজনৈতিক নজরদারির জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির অধীনে দু’দেশের প্রধান আলোচনাকারীরা পরমাণু বিষয়ক, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিরোধ নিষ্পত্তি নিয়ে গঠিত ওয়ার্কিং গ্রুপগুলোর নেতৃত্ব দেবেন।
এছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে আগামী ৬০ দিনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সরাসরি যোগাযোগ লাইন বা হটলাইন স্থাপন করা হবে।
এই ৬০ দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত চুক্তির রূপরেখা তৈরি হবে এবং অবিলম্বে কারিগরি আলোচনা শুরু হবে বলেও জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।
সূত্র : দ্য ডন



