এআই চিপের ব্যাপক চাহিদায় প্রথম প্রান্তিকে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি সিঙ্গাপুরের

একটি ছোট অভ্যন্তরীণ বাজার হলেও রফতানিনির্ভর অর্থনীতি হওয়ায় সিঙ্গাপুরকে সাধারণত বৈশ্বিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চিপের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব কিছুটা সামাল দেয়ায় চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে সিঙ্গাপুরের অর্থনীতি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ছয় শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। সোমবার দেশটির সরকার এ তথ্য প্রকাশ করেছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

বিশ্বের অন্যতম বড় ইলেকট্রনিকস কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই নগররাষ্ট্রে মেমোরি চিপ ও সার্ভার যন্ত্রাংশের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা এআই প্রযুক্তি পরিচালনাকারী ডেটা সেন্টারগুলোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘প্রত্যাশার চেয়ে ভালো’ প্রবৃদ্ধির কারণে ২০২৬ সালে সিঙ্গাপুরের অর্থনীতি ২ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে- এ পূর্বাভাস অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্ঘাত বিশ্বজুড়ে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেললেও তার মধ্যেই এই প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, ‘সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক পূর্বাভাসে নিম্নমুখী ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।’ তারা আরো বলেছে, বৈশ্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং প্রয়োজন হলে পূর্বাভাস সমন্বয় করা হবে।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিকে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের প্রবৃদ্ধি এসেছে মূলত পাইকারি বাণিজ্য, উৎপাদন শিল্প এবং আর্থিক ও বীমা খাতের শক্তিশালী কর্মক্ষমতা বা পারফরম্যান্সের কারণে।

একটি ছোট অভ্যন্তরীণ বাজার হলেও রফতানিনির্ভর অর্থনীতি হওয়ায় সিঙ্গাপুরকে সাধারণত বৈশ্বিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।