মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় ফেরার প্রথম বছরেই ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসা থেকে ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি আয় করেছেন। এই বিপুল আয় প্রেসিডেন্ট পদের অপব্যবহার এবং স্বার্থের সঙ্ঘাত নিয়ে আবারো প্রশ্ন তুলেছে।
২০২৫ সালের আর্থিক বিবরণী থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
দায়িত্ব নেয়ার ঠিক আগে চালু করা একটি ট্রাম্প ‘মিম কয়েন’- এর মূল্য কমে গেলেও, তা থেকে রয়্যালটি বাবদ ট্রাম্পের আয় হয়েছে ৬৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এছাড়াও পারিবারিক ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্স’ থেকে আয় হয়েছে আরো ৫০ কোটি ডলার।
ট্রাম্প তার মার-এ-লাগো ক্লাব এবং ফ্লোরিডার ডোরালে অবস্থিত গলফ ক্লাব থেকে শত কোটি ডলার আয় করেছেনে। নিজস্ব ব্র্যান্ডের ঘড়ি, বাইবেল, জুতো ও পারফিউম থেকেও লাখ লাখ ডলার এসেছে।
ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও তথ্যচিত্রের লাইসেন্স ও এনএফটি বিক্রি করে প্রায় এক কোটি ৬৭ লাখ ডলার আয় করেছেন।
এবিসি, সিবিএস, মেটা, ইউটিউব ও এক্সের মতো বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে আইনি সমঝোতা বাবদ ট্রাম্পের আয় হয়েছে আরো আট কোটি ৬৫ লাখ ডলার।
ফোর্বসের মতে, বর্তমানে ট্রাম্পের মোট সম্পত্তি বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬০০ কোটি ডলার। ২০২৪ সালে ট্রাম্পের সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ২৩০ ডলার। ব্লুমবার্গের হিসাবে এখন এর পরিমাণ ৭৬০ কোটি ডলার।
হোয়াইট হাউস প্রেসিডেন্ট পদের অপব্যবহার বা স্বার্থের সঙ্ঘাতের বিষয়টি অস্বীকার করে দাবি করেছে, ট্রাম্প অন্যায্যভাবে লাভবান হচ্ছেন না এবং আইনি লড়াইয়ের বেশিভাগ অর্থ দাতব্য তহবিলে দেয়া হয়েছে।
ট্রাম্পও জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বার্থের সঙ্ঘাত আইন তার ওপর প্রযোজ্য নয়।
সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শেষ বছরের আর্থিক প্রতিবেদন ছিল মাত্র ১১ পৃষ্ঠার, সেখানে ট্রাম্পের এই নজিরবিহীন বিবরণীটি ৯২৭ পৃষ্ঠার বিশাল প্রতিবেদন।
সূত্র: বিবিসি



