যুক্তরাষ্ট্র ও বলিভিয়া ১৮ বছর পর আবারো রাষ্ট্রদূত নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে। দুই দেশ সমন্বিতভাবে যত দ্রুত সম্ভব এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বলিভিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফের্নান্দো আরামায়ো বার্তাসংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
২০০৮ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে বলিভিয়া থেকে বহিষ্কার করার পর থেকে কোনো দেশেই রাষ্ট্রদূত নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, বামপন্থী সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন তিনি।
এর জবাবে হোয়াইট হাউসও বলিভিয়ার রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করে।
ওয়াশিংটনে গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাথে বৈঠকের পর আরামায়ো এএফপিকে বলেন, ‘রাষ্ট্রদূত পুনর্বহালের বিষয়টি আমরা আলোচনা করেছি। কাজটি যত দ্রুত সম্ভব চূড়ান্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।’
গত বছরের নভেম্বরে দায়িত্ব নেয়ার পর মধ্য-ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট রোদ্রিগো পাজের সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ নেয়।
এর আগে, ইভো মোরালেস ও লুইস আরসের নেতৃত্বাধীন বামপন্থী সরকারগুলো প্রায় দুই দশক ধরে দেশ পরিচালনা করে। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে বলিভিয়ার দূরত্ব বাড়ে।
সূত্র: বাসস



