বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মঙ্গলবার (১৯ মে) ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে চলমান ইবোলা প্রাদুর্ভাবের ‘ব্যাপ্তি ও গতি’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
এ প্রাদুর্ভাবে ইতোমধ্যে ১৩০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বিগত অর্ধশতাব্দীতে আফ্রিকায় ইবোলায় ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং জাতিসঙ্ঘের স্বাস্থ্য সংস্থা এই অত্যন্ত সংক্রামক রক্তক্ষরণকারী জ্বরের সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবকে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে।
ডিআর কঙ্গোর সঙ্ঘাতপ্রবণ পূর্বাঞ্চলে বাসিন্দারা যখন চিকিৎসা সরঞ্জামের অপেক্ষায় ছিলেন, তখন সহায়তা সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) জানায়, তারা ইতুরি প্রদেশের অসুস্থ রোগীদের স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানোর চেষ্টা করেছিল।
ইতুরি প্রদেশে রোগীদের স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানোর চেষ্টা করা হলেও, জায়গা না থাকার কারণে তা সম্ভব হয়নি।
হাসপাতালগুলো জানায়, ‘আমাদের এখানে সন্দেহভাজন রোগীতে পূর্ণ। আমাদের আর কোনো জায়গা নেই।’
এমএসএফের সহায়তাকর্মী ট্রিশ নিউপোর্ট বলেন, ‘এতে বোঝা যায় পরিস্থিতি এখন কতটা ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।’
এ প্রাদুর্ভাবটি ইবোলার বুন্ডিবুগিও স্ট্রেইন দ্বারা ঘটছে। এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ভ্যাকসিন বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। ১০ কোটির বেশি জনসংখ্যার মধ্য আফ্রিকার এ দেশটিতে এটি ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব।
স্থানীয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফুটেজে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সংক্রমণ প্রতিরোধক কিট ও তাঁবুসহ বিপুল পরিমাণ জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞরা এসে পৌঁছেছেন।
সূত্র: বাসস



