সামনে কোরবানি

জেনে নিন গরুকে পানি পান করানোর সঠিক নিয়ম

গরমের সময় একটি গরুর শরীরের ওজন প্রতি ১০০ কেজির জন্য ২০ লিটার পানি পান করানো প্রয়োজন এবং শীতের সময় প্রায় ১০ লিটার পানি পান করাতে হবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
গরুকে পানি পান করানো হচ্ছে
গরুকে পানি পান করানো হচ্ছে |সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহার আর বেশি বাকি নেই। ইতোমধ্যে রাজধানীসহ দেশের প্রতিটি অঞ্চলে জমে উঠেছে গরুর হাট। যেখানে দেখা যাচ্ছে ছোট-বড় নানা আকর্ষণীয় গরু। গরুকে হাটে ও খামারে সুস্থ রাখতে খেয়ালের শেষ নেই খামারিদের।

এদিকে প্রতিদিন গরুকে নির্দিষ্ট পরিমাণে পানি পান করানো প্রয়োজন। না হলে গরুর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে না। তাই গরুকে পানি পান করানোর সঠিক নিয়ম জানতে হবে।

পানি শরীরের বিভিন্ন প্রকার জৈবিক ক্রিয়া সম্পন্ন করে। পানি ছাড়া গরুর শরীরবৃত্তীয় কোনো কাজই সম্পন্ন হয় না। গরমের সময় একটি গরুর শরীরের ওজন প্রতি ১০০ কেজির জন্য ২০ লিটার পানি পান করানো প্রয়োজন এবং শীতের সময় প্রায় ১০ লিটার পানি পান করাতে হবে।

এদিকে সাধারণ গরুর চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ পানির প্রয়োজন হয় দুগ্ধবতী গাভীর।

গরুর পানি পানের ব্যবস্থাপনা ভালো না হলে খামার থেকে উৎপাদন কমে যাবে। এছাড়া গরুকে যদি সব সময় রোগ জীবাণুমুক্ত পানি ও টাটকা পানি পান করানো যায় এতেই সমস্ত টিকা বা ভ্যাকসিনের অর্ধেক কাজ হয়ে যায়।

এছাড়া গরুর সামনে সব সময় পানি রাখতে হবে। প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর পরিবর্তন করতে হবে সেই পানি। গরমকালে হালকা ঠাণ্ডা ও শীতকালে হালকা গরম পানি খেতে দিতে হবে। তবে পানি ফিল্টার করতে পারলে খুব ভালো হয়। ফিল্টার না থাকলে নলকূপের পানি পরীক্ষা করে তা পানের উপযোগী কি না তা জানতে হবে। গরুর খাবারের পানি যাতে কোনোভাবে দূষিত হতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রয়োজনে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ব্যবহার করা যেতে পারে।

মনে রাখতে হবে, গরু থেকে সর্বোচ্চ উৎপাদন পেতে গরুকে বিশুদ্ধ পানি পান করানোর কোনো বিকল্প নেই। সেইসাথে সামনের কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে গরুকে সুস্থ রেখে হাটে তুলতে নিয়মিত বিশুদ্ধ পানি পান করাতে হবে গরুকে।