জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের করাচি জোনের দায়িত্বশীলা ডা: সীমা মালিকের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সাথে এক সাক্ষাৎকার ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর মগবাজারে মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দীকা এমপি, ডা: সীমা মালিককে বাংলাদেশে স্বাগত জানান।
এ সময় তিনি বিগত পাকিস্তান সফরের স্মৃতিচারণ করে ডা: সীমা মালিককে ধন্যবাদ জানিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই সফর দুই দেশের নারীদের সাংগঠনিক কাজের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নারীদের পারস্পরিক সম্পৃক্ততা আরো বাড়বে বলেও তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
কেন্দ্রীয় আইটি বিভাগীয় সেক্রেটারি মাহবুবা জাহানের সঞ্চালনায় সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ইরানী আক্তার এবং অনুবাদ করেন জান্নাতুল কারীম সুইটি।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে মহিলা বিভাগের রাজনৈতিক বিষয়ক সেক্রেটারি ডা: হাবিবা চৌধুরী সুইট বলেন, ‘বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে একটি সুশৃঙ্খল দল হিসেবে বিবেচনা করে। দাওয়াত ও সামাজিক কাজে প্রশংসনীয় ভূমিকার কারণে দলের প্রতি জনগণের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।’
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল উম্মে আরওয়া ছাত্রীদের মাঝে সংগঠনের কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের নারী ও ছাত্রীদের নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মহিলা বিভাগের বিদেশ বিভাগীয় সেক্রেটারি খোন্দকার আয়েশা খাতুন বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের ওপর বিগত সময়ের জুলুম-নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘আমরা যদি আদর্শের প্রশ্নে আপস করতাম, তবে আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে এমন অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার হতে হতো না।’
জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের করাচি জোনের দায়িত্বশীলা ডা: সীমা মালিক তার বক্তব্যে বলেন, ‘পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সামন্তবাদী ব্যবস্থার কারণে সেখানে শক্তিশালী তরুণ রাজনৈতিক ইউনিয়ন গড়ে উঠছে না। বাংলাদেশের তরুণদের এই জাগরণের উৎস আমাদের জানা প্রয়োজন।’
তিনি সমসাময়িক সময়ে বাংলাদেশের নারীদের মাঝে জামায়াতের তৎপরতার প্রশংসা করেন এবং এই সফরের অভিজ্ঞতা পাকিস্তানের নারী আন্দোলনে কাজে লাগানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি মার্জিয়া বেগম এমপি, সহকারী সেক্রেটারি সাঈদা রুম্মান, মানবসম্পদ বিভাগীয় সেক্রেটারি সাবিকুন্নাহার মুন্নি এমপি, প্রচার-মিডিয়া ও সাহিত্য সংস্কৃতি বিভাগীয় সেক্রেটারি নাজমুন নাহার নীলু এমপি, সমাজকল্যাণ বিভাগীয় সেক্রেটারি খন্দকার আয়শা সিদ্দীকা, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্যা সালমা সুলতানা, রোজিনা বেগম, সুফিয়া জামাল, আমেনা বেগম, উম্মে খালেদা জাহান ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার কেন্দ্রীয় সভানেত্রী মুনজিয়া।



