ঢাকা-৬ আসনে জামায়াত প্রার্থী ড. মান্নানের সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা-৬ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

Location :

Dhaka City
ঢাকা-৬ আসনে জামায়াত প্রার্থী ড. মান্নানের সংবাদ সম্মেলন
ঢাকা-৬ আসনে জামায়াত প্রার্থী ড. মান্নানের সংবাদ সম্মেলন |নয়া দিগন্ত

ঢাকা-৬ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

রাজধানীর ধূপখোলা খেলার মাঠ সংলগ্ন শহীদ জুনায়েদ চত্বরে সংবাদ সম্মেলনে ড. মান্নান জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধান মোতাবেক জাল ভোট চ্যালেঞ্জিংয়ের জন্য প্রতিটি খামে ১০০ টাকার নোট ৫টা করে পুরো আসনের প্রতিটি কেন্দ্রে দেয়া হয়। একইভাবে ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে দেয়া হয়েছে। খামগুলো রেডি করার সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা মব সৃষ্টি করে আমাদের তিনজন নেতাকে মারধর করে। এই ঘটনায় আমরা পাল্টা মব সৃষ্টি না করে প্রশাসনের শরনাপন্ন হলে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে এসে ম্যাজিস্ট্রেট কোনো শুনানি না করে আমাদের তিনজন কর্মীকে কারাদণ্ড প্রদান করেন! যেটি পক্ষপাতিত্বের সামিল। জাল ভোট চ্যালেঞ্জিংয়ের টাকা থাকা অবৈধ নয় কিন্তু তিনি অন্যায়ভাবে আমাদের কর্মীকে দণ্ড দিয়ে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করেছেন। আমাদের কর্মীরা কারো কাছে ভোট চাইছে কিংবা টাকা বিতরণ করেছে এমন ঘটনা সেখানে ঘটেনি এবং কেউ সেটা প্রমাণও দেখাতে পারেনি।

এছাড়াও জুবিলী স্কুলে আমাদের কর্মীরা পোলিং অ্যাজেন্ট কার্ডে স্বাক্ষর করতে যাওয়ার পর বিএনপির লোকেরা সেখানেও মব সৃষ্টি করে। এবং সেখানে তারা আমাদের পোলিং অ্যাজেন্টদের মারধর করার পাশাপাশি ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারকে মারধর করে। পরবর্তীতে সেখানে পুলিশ এবং সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান, জাবেদ কামাল রুবেল, কাদের, রানা সহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। কিন্তু পুলিশ বা সেনাবাহিনী এই ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে আটক করেনি তারা শুধু পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। অথচ এই ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মী আমাদের পাঁচজন পোলিং অ্যাজেন্ট এবং প্রিজাইডিং অফিসারকে মারধর করে আহত করেছে। এই দুই ঘটনায় তিনি আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানান।

এসময় তিনি আরো বলেন, যারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে তারা নির্বাচনে পরাজয়ের ভয়ে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়ে ভয়ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা মব সৃষ্টি করেছে আমরাও যদি তাদের মতোই করতাম তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতো। কিন্তু আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে প্রশাসনের শরণাপন্ন হয়েছি। প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকার পরিবর্তে পক্ষপাতিত্ব মূলক আচরণ করেছে। যেটি দুঃখজনক এবং প্রশ্নবিদ্ধ।