জুলাইয়ের রক্তের ঋণ ভুলে গেলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না : ব্যারিস্টার ফুয়াদ

রায়েরবাজার গণকবরে জুলাই শহীদদের প্রতি এবি পার্টির শ্রদ্ধা ও দোয়া

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কোনো রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেয়া গ্রহণযোগ্য নয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
রায়েরবাজার গণকবরে জুলাই শহীদদের প্রতি এবি পার্টির শ্রদ্ধা ও দোয়া
রায়েরবাজার গণকবরে জুলাই শহীদদের প্রতি এবি পার্টির শ্রদ্ধা ও দোয়া |সংগৃহীত

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শত শত মানুষ শহীদ হয়েছেন, হাজার হাজার মানুষ আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। সেই আত্মত্যাগ ও রক্তের ওপর দাঁড়িয়েই বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। ফলে জুলাইয়ের শহীদ পরিবার, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে। জুলাইয়ের রক্তের ঋণ ভুলে গেলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর রায়েরবাজার গণকবরে জুলাইয়ের শহীদদের স্মরণে এবি পার্টি আয়োজিত দোয়া ও শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ‘জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের অর্থ ছাড় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, অথচ শহীদ পরিবার, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের পুনর্বাসনে রাষ্ট্র কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না।’

তিনি এ বিষয়ে সরকারের টালবাহানার সমালোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

তিনি আরো বলেন, রায়েরবাজার গণকবরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এখনো নাম-পরিচয়বিহীন অনেক জুলাই শহীদের লাশ রয়েছে। এসব শহীদের পরিচয় শনাক্ত করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কোনো রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেয়া গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি হবিগঞ্জ ও সিলেটে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার সমালোচনা করে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও সন্ত্রাসের সংস্কৃতি পরিহার করতে হবে।

তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বন্ধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, ছাত্রপক্ষের সভাপতি মোহাম্মদ প্রিন্স, গণশিক্ষা ও পাঠাগারবিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার ফারুক, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সফিউল বাশার, শিক্ষাবিষয়ক সহ-সম্পাদক ফয়সাল মনির, সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, নারী উন্নয়নবিষয়ক সহ-সম্পাদক শাহিনুর আক্তার শিলা, সহকারী দফতর সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, মশিউর রহমান মিলু, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান, যুগ্ম সদস্য সচিব রাশিদা আক্তার মিতু, পেশাজীবী উইংয়ের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান, যাত্রাবাড়ী ল থানার আহ্বায়ক সুলতান আরিফ, রমনা থানার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সী, ছাত্রপক্ষের দক্ষিণের আহ্বায়ক আসিফ, ছাত্রনেতা আরিফুল ও আকিল এবং বরিশালের নেতা জাকির হোসেনসহ দলের নেতৃবৃন্দ।