বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক বলেছেন, ২০১৩ সালে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধের ভিত রচিত হয়েছিল, তার ওপর দাঁড়িয়েই ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশীরা জীবন ও জীবিকার ঝুঁকি নিয়ে যে গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, সেই আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নে জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন অপরিহার্য।
বুধবার (৩ জুন) পবিত্র মক্কা মোকাররমায় সংগঠনটির মক্কা শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক হজ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে দেশে মূলত দুটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, একটি জাতীয় নির্বাচন এবং অন্যটি ছিল গণভোট। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি ছিল চতুর্থ গণভোট। গণভোটের পূর্বে দেশের প্রায় সকল রাজনৈতিক শক্তি ‘হ্যাঁ’র পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু গণভোট-পরবর্তী সময়ে বর্তমান ক্ষমতাসীনরা জনগণের সেই রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে।’
তিনি বলেন, ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সর্বপ্রথম রাজপথে নেমেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক গণসমাবেশের মাধ্যমে আমরা সারাদেশে কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। জনগণের দেয়া রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।’
মক্কা শাখার সভাপতি হারুনুর রশিদের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবু সাঈদ নোমান, মাওলানা হেদায়াতুল্লাহ হাদী, ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মোহাম্মদুল্লাহ এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মাওলানা নাসিরউদ্দিন মুনির প্রমুখ।



