আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর বাজারে অবৈধভাবে পশু প্রবেশ ঠেকাতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ‘চোরাইপথে আসা পশু নয়, বৈধ ও শরিয়তসম্মত উৎস থেকে কোরবানির পশু কেনার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।’
শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অবৈধ বা চোরাইপথে আসা পশু কোরবানির উপযোগিতা সম্পর্কে ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ ও মুফতিরাই সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। তবে কোরবানি যেহেতু আল্লাহকে রাজি-খুশি করার ইবাদত তাই সহি ও হালাল পদ্ধতিতে কোরবানি নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি জানান, এবারের ঈদে দেশে প্রায় এক কোটি ২৩ লাখ গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। সম্ভাব্য চাহিদা প্রায় এক কোটি এক লাখ হওয়ায় প্রায় ২২ লাখ পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।
ফলে বিদেশ থেকে পশু আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে টুকু বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে অবৈধভাবে গবাদিপশু প্রবেশ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’
কোরবানির হাটে পশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে মেডিকেল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সেখানে অসুস্থ পশুর তাৎক্ষণিক চিকিৎসা, জ্বর পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম দূর করা, ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রতারণা রোধে সরকার সতর্ক রয়েছে। জাল টাকা শনাক্তে বিশেষ যন্ত্রপাতি ব্যবহারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে সক্রিয় রয়েছে।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো: শাহজামান খান, অধিদফতরের পরিচালক ডা: মো. বয়জার রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।



