বিতর্ক চর্চাকে শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হবে : তথ্যমন্ত্রী

‘বিতর্ক হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যা একইসাথে মানুষের সৃষ্টিশীলতাকে প্রতি মুহূর্তে উদ্দীপ্ত করতে পারে এবং এর মধ্যে একটি মেধাভিত্তিক আনন্দ ও জ্ঞান অর্জনের উপাদান থাকে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন
বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন |সংগৃহীত

বিতর্ক কেবল মেধাগত বিনোদনই নয়, এটি একটি সৃজনশীল প্রক্রিয়া এবং সুস্থ সমাজ ও সভ্যতা বিনির্মাণের অন্যতম হাতিয়ার। তাই বিতর্ক চর্চাকে শিক্ষা কারিকুলামের বাধ্যতামূলক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত এবং সরকারি নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে এক জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘ঢাকা আইভি : সামাজিক সুরক্ষার জন্য যুব কণ্ঠস্বর’ শীর্ষক এই বিতর্ক প্রতিযোগিতা যৌথভাবে আয়োজন করে ঢাকায় জাতিসঙ্ঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি (ডিইউডিএস)।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দেশে একটি স্বাস্থ্যসম্মত বিতর্কের সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘বিতর্ক হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যা একইসাথে মানুষের সৃষ্টিশীলতাকে প্রতি মুহূর্তে উদ্দীপ্ত করতে পারে এবং এর মধ্যে একটি মেধাভিত্তিক আনন্দ ও জ্ঞান অর্জনের উপাদান থাকে।’

যুক্তিহীনতার কারণে সমাজ ও ব্যক্তিজীবনে সৃষ্টি হওয়া নানামুখী সঙ্ঘাতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একটি সুশৃঙ্খল ও যুক্তিবাদী সমাজ গঠনে বিতার্কিকরাই দেশের আগামী দিনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।’

তিনি বিতার্কিক ও আয়োজকদের উদ্দেশে বলেন, ‘বিতর্ককে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। আপনারা আন্দোলন বা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তৈরি করলে, আমি মন্ত্রিসভার একজন সদস্য হিসেবে শিক্ষামন্ত্রীসহ প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়ে কনভিন্স করতে পারব এবং দ্রুত এটাকে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে নীতিগত ভূমিকা রাখব।’ বাসস