গবেষণা ও উদ্ভাবন ফান্ড গঠনের আহ্বান ড. তিতুমীরের

‘আপনারা চিন্তা করতে পারেন কীভাবে একটা ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন ফান্ড’ গড়ে তোলা যায়। সেখানে কীভাবে বিভিন্ন ব্যক্তি, কোম্পানি ফান্ড দিতে পারে। যদি ব্যক্তিখাত রাজি থাকে নিঃসন্দেহে সরকার এই ক্ষেত্রে রাজস্ব ব্যবস্থায় কি ধরনের পরিবর্তন আনা যায় সেগুলো দেখবে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর |ফাইল ছবি

গবেষণা ও উদ্ভাবনের পরিধি বিস্তারের জন্য ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন ফান্ড’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

তিনি বলেন, ‘আপনারা চিন্তা করতে পারেন কীভাবে একটা ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন ফান্ড’ গড়ে তোলা যায়। সেখানে কীভাবে বিভিন্ন ব্যক্তি, কোম্পানি ফান্ড দিতে পারে। যদি ব্যক্তিখাত রাজি থাকে নিঃসন্দেহে সরকার এই ক্ষেত্রে রাজস্ব ব্যবস্থায় কি ধরনের পরিবর্তন আনা যায় সেগুলো দেখবে।’

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গবেষণা ও উদ্ভাবন ফান্ড রয়েছে। এটার মাধ্যমে আপনারা গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী বারবার এটা উল্লেখ করছেন। ফান্ড থেকে টাকা দেয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের কাউন্সিল থাকতে পারে। যাতে করে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ওই ফান্ডগুলো বিতরণ করা যেতে পারে।

অর্থনীতির ভঙ্গুর অবস্থা থেকে সমৃদ্ধির পথে যেতে রূপরেখা তুলে ধরে উপদেষ্টা জানান, সরকার ‘থ্রি-আর’ কৌশল বাস্তবায়ন করছে। এই কৌশলের প্রধান তিনটি ধাপ হলো-রিকভারি (অর্থনীতির প্রাথমিক পুনরুদ্ধার), রিস্টোরেশন (স্থিতিশীলতায় পুনঃপ্রতিষ্ঠা) এবং রিকনস্ট্রাকশন (দ্রুততার সাথে অর্থনৈতিক পুনর্গঠন)।

তিনি বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা, এলডিসি থেকে টেকসই উত্তরণ এবং পিছিয়ে পড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন; এই তিনটি প্রধান লক্ষ্যকে একসাথে সুসমন্বিত করে আমাদের সামনের দিকে এগোতে হবে।

বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র বা ম্যানুফ্যাকচারিং হাব ও গেটওয়ে হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ওমান সরকার ইতোমধ্যে এ লক্ষ্যে যৌথ সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে। এ ছাড়া ইউরোপ, এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও পশ্চিম ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সাথে ভূ-অর্থনৈতিক সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে, যাতে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ শৃঙ্খল অক্ষুণ্ন রাখা যায়। বাসস