বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

বিএনপির পক্ষে দলটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং নিজ নিজ দলের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়
বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় |সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি)-এর মধ্যে প্রথমবারের মতো একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। দুই দলের পারস্পরিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক সংলাপ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়।

বিএনপির পক্ষে দলটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং নিজ নিজ দলের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে দুই দলের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, নেতৃত্ব উন্নয়ন, গবেষণা ও নীতিনির্ধারণী বিষয়ে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও চীনের বিদ্যমান কৌশলগত সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে দলীয় পর্যায়ের যোগাযোগ জোরদারের বিষয়েও গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত। এছাড়া উভয় পক্ষের ঊর্ধ্বতন নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার প্রেক্ষাপটে বিএনপি ও সিপিসির মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।

উল্লেখ্য, বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক। ফলে দুই দলের সম্পর্কের ইতিহাসে এ ঘটনাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।