কোরবানির পশুর বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

রাস্তায় যেন দুর্গন্ধ বা পরিবেশের কোনো ক্ষতি না হয়, সেদিকে আমাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে এবং নিজ নিজ এলাকায় এ বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী
বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী |সংগৃহীত

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী কোরবানির পশুর বর্জ্য যত্রতত্র না ফেলে, নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। 

তিনি বলেন, রাস্তায় যেন দুর্গন্ধ বা পরিবেশের কোনো ক্ষতি না হয়, সেদিকে আমাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে এবং নিজ নিজ এলাকায় এ বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগরীর টাউন হলের তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চার হাজার ৭৩৭টি হতদরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে একটি পরিবারে ঈদ উদযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরণের সামগ্রী বিতরণ করা হয়। 

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঈদ উপহার বিতরণের এই কার্যক্রমটি নজিরবিহীন, যা দেশের আর কোথাও শুনিনি।

এ সময় তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সারা বাংলাদেশে খাল খননসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। 

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, অতীতে ঢাকা ও ময়মনসিংহের রাস্তাঘাট যেভাবে ডুবে যেত, বর্তমানে পরিকল্পিত উন্নয়নের ফলে প্রায় ৬০ ভাগ রাস্তায় আর জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে না।

এ সময় তিনি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের কিছু পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। 

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যেই দেশে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

তিনি আরো বলেন, গত ১৬ মে ময়মনসিংহের নান্দাইলের একটি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনের মাধ্যমে এ জেলাকে কর্মসূচিটির আওতায় আনা হয়েছে এবং দ্রুতই সব উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড ও ঈদের পর কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হবে।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো: রুকুনোজ্জামান রোকনের সভাপতিত্বে ও মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুমনা আল মজীদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আজীম উদ্দিন, প্রধান সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা সীতেষ চন্দ্র সরকার ও নগর পরিকল্পনাবিদ মানস বিশ্বাস।