পুলিশি কার্যক্রম সময়োপযোগী ও আধুনিক হতে হবে : আইজিপি

‘সাইবার অপরাধ, সংগঠিত অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, আর্থিক ও পরিবেশগত অপরাধ, ভুয়া তথ্যের বিস্তার এবং উদীয়মান প্রযুক্তির অপব্যবহারের মতো জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আধুনিক জ্ঞান, নতুন চিন্তাধারা ও পেশাগত দক্ষতার বিকল্প নেই।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
পুলিশ স্টাফ কলেজে এমএসিপিএম শীর্ষক মাস্টার্স প্রোগ্রামের দশম ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইজিপি মো: আলী হোসেন ফকির
পুলিশ স্টাফ কলেজে এমএসিপিএম শীর্ষক মাস্টার্স প্রোগ্রামের দশম ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইজিপি মো: আলী হোসেন ফকির |সংগৃহীত

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো: আলী হোসেন ফকির বলেছেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশি কার্যক্রম সময়োপযোগী ও আধুনিক হতে হবে।

তিনি বলেন, সাইবার অপরাধ, সংগঠিত অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, আর্থিক ও পরিবেশগত অপরাধ, ভুয়া তথ্যের বিস্তার এবং উদীয়মান প্রযুক্তির অপব্যবহারের মতো জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আধুনিক জ্ঞান, নতুন চিন্তাধারা ও পেশাগত দক্ষতার বিকল্প নেই।

শনিবার (১৮ জুলাই) পুলিশ স্টাফ কলেজে মাস্টার অব অ্যাপ্লাইড ক্রিমিনোলোজি অ্যান্ড পুলিশ ম্যানেজমেন্ট (এমএসিপিএম) শীর্ষক মাস্টার্স প্রোগ্রামের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের দশম ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, আধুনিক পুলিশিং-এর সফলতা কেবল অপরাধ দমন বা অপরাধী গ্রেফতারের মাধ্যমে মূল্যায়িত হয় না; বরং জনগণের আস্থা অর্জন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার সুরক্ষা, পেশাগত সততা, জবাবদিহিতা এবং নাগরিকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করার মধ্যেই এর প্রকৃত সাফল্য নিহিত।

তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশ স্টাফ কলেজ উচ্চতর পুলিশ শিক্ষা, নেতৃত্ব উন্নয়ন ও গবেষণার ক্ষেত্রে একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশসহ অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি গবেষণা, তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবমুখী সমাধান উদ্ভাবনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন-পুলিশ স্টাফ কলেজের পরিচালক (একাডেমিক) সরকার ওমর ফারুক।

সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর কাজী মো: ফজলুল করিম এমএসিপিএম প্রোগ্রামের দশম ব্যাচের সার্বিক সফলতা কামনা করেন এবং পুলিশ স্টাফ কলেজকে পুলিশ শিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত নেতৃত্বের উৎকর্ষ কেন্দ্র হিসেবে আরো এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এবারের দশম ব্যাচে মোট ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন। এদের মধ্যে পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী, চিকিৎসক, বিচার বিভাগ, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং অন্যান্য পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। বাসস