চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ পালন শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে মোট ৬৬ হাজার ১৭৪ জন হাজী দেশে ফিরেছেন।
হজ অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, হাজীদের ফিরিয়ে আনতে তিনটি নির্ধারিত বিমানসংস্থা এ পর্যন্ত মোট ১৮০টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৯৭টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৬১টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি।
হজ অফিস জানিয়েছে, ১৮০টি ফ্লাইটের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৫৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবস্থাপনায় ৬১ হাজার ৭১৫ জন হাজী দেশে ফিরেছেন।
বিমানসংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৯৭টি ফ্লাইটে ৩০ হাজার ৫৭৩ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ৬১টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৭২৭ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন হাজী দেশে এসে পৌঁছেছেন।
এ ছাড়া অন্যান্য বিমানসংস্থার মাধ্যমে আরো ৪ হাজার ২০০ হাজী দেশে ফিরেছেন।
অবশিষ্ট হাজীরা পর্যায়ক্রমে নির্দিষ্ট বিমানসংস্থাগুলোর মাধ্যমে দেশে ফিরবেন বলে ওই কর্মকর্তা জানান।
এদিকে, হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে এ পর্যন্ত ৫৫ জন বাংলাদেশী হজযাত্রী ইন্তেকাল করেছেন। তাদের মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৭ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা গেছেন।
তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো হজযাত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪১৫ জন হাজী চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১০ জন হাজী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এ ছাড়া সৌদি আরবের মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৭ হাজার ৩৬ জন হাজীকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক থেকে ২৮ হাজার ৩৮৩ জন হাজী সেবা পেয়েছেন।
চলতি বছরের প্রথম হজ ফ্লাইট গত ১৮ এপ্রিল শুরু হয়ে ২১ মে শেষ হয়। আর হাজীদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে গত ৩০ মে, যা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
হজ অফিসের তথ্য মতে, এবার বাংলাদেশের মোট হজযাত্রীর কোটা ছিল ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন। সূত্র : বাসস



