৩৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে দুদকের মামলা

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি দায়ের করেন সংস্থাটির ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এর সহকারী পরিচালক ধীরাজ চন্দ্র বর্মন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) |সংগৃহীত

বন্ড সুবিধার আওতায় টাইলস আমদানি করে তা রফতানি না করে জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে ৩৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি দায়ের করেন সংস্থাটির ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এর সহকারী পরিচালক ধীরাজ চন্দ্র বর্মন।

দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এর উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে আসামিরা জালিয়াতির মাধ্যমে রফতানির ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বন্ড সুবিধায় চীন থেকে টাইলস আমদানি করে ৩৮ কোটি ৮৬ লাখ ৪৮ হাজার ১০০ টাকা ৪৭ পয়সা শুল্ক ফাঁকি দিয়েছেন- এ অভিযোগে বাংলাদেশ-তাইওয়ান সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানা এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ-তাইওয়ান সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ২০১৩ সালে শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বন্ড লাইসেন্স গ্রহণ করে। ২০১৩ সাল থেকে সেপ্টেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ৬২টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ‘আনফিনিশড টাইলস’ ঘোষণা দিয়ে ২২ হাজার ৯৪৩ দশমিক ৬৫ টন টাইলস আমদানি করে।

তবে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত সংস্থার অনুসন্ধানে দেখা যায়, আমদানি করা পণ্যগুলো প্রকৃতপক্ষে সম্পূর্ণ প্রস্তুতকৃত (ফিনিশড) টাইলস। এজাহারে আরো বলা হয়েছে, আমদানিকৃত টাইলস প্রক্রিয়াজাত করে শতভাগ রফতানির বাধ্যবাধকতা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি ৮০টি বিল অব এক্সপোর্ট দেখিয়ে রফতানির কাগজপত্র দাখিল করে। ব্যাংকের মাধ্যমে রফতানি মূল্য দেশে এসেছে-এমন তথ্যও উপস্থাপন করা হয়।

কিন্তু সংশ্লিষ্ট অফ-ডক কর্তৃপক্ষ ও শিপিং অ্যাজেন্টরা লিখিতভাবে জানায়, তাদের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো রফতানি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি এবং দাখিল করা বিল অব লেডিং তাদের ইস্যুকৃত নয়। বাসস