ঢাবি শিক্ষার্থীকে আত্মহত্যার প্ররোচনা : শিক্ষক সুদীপ কারাগারে

তদন্ত শেষ না হওয়ায় পর্যন্ত শিক্ষক সুদীপকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সুদীপ চক্রবর্তী
সুদীপ চক্রবর্তী |ইন্টারনেট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মিমোকে (২৬) আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে (৪৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গতকাল রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর উত্তর বাড্ডার এলাকায় অভিযান পচিালনা করে সুদীপকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে সকালে বাড্ডা খানা এলাকার উদয় ম্যানসন রোড়ের বাসায় মুনিরা মাহজাবিন মিমোকে তার বাবা ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর তাকে মৃত অবস্থায় নিচে নামানো হয়। তারপর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় মিমোর বাবা গোলাম মোস্তফা (৬২) আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বাড্ডা থানায় সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।