সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের গুলশানের দুটি ফ্ল্যাট দুদকের নিয়ন্ত্রণে

রোববার সকালে সাড়ে ১০টা নাগাদ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে দুদকের উপপরিচালক মশিউর রহমানের নেতৃত্বে এ কাজ শুরু করা হয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ
সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ |ফাইল ছবি

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের ঢাকার গুলশানের দুটি ফ্ল্যাট ক্রোকের অংশ হিসেবে সেখানে থাকা সামগ্রীর তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

ঢাকার একটি বিচারিক আদালতের নির্দেশে এই কাজ শুরু হয়েছে।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম রোববার (১৯ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা, গুলশান থানা পুলিশের যৌথ টিম গুলশানের দুটি ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে সব সামগ্রী, মালামালের ইনভেন্টরি তৈরির কাজ করছে।’

রোববার সকালে সাড়ে ১০টা নাগাদ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে দুদকের উপপরিচালক মশিউর রহমানের নেতৃত্বে এ কাজ শুরু করা হয়।

গুলশানের ৬৬ নম্বর সড়কের নর্থওয়েস্ট (বি) ব্লকের ১১ নম্বর প্লটে ফ্ল্যাট দুটির অবস্থান।

এর মধ্যে এ-৭ নম্বর ফ্ল্যাটের আয়তন ৩ হাজার ৭৪৭ বর্গফুট ও বি-৭ নম্বর ফ্ল্যাটের আয়তন ৩ হাজার ৮৩২ বর্গফুট।

দুইটি ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ৭ হাজার ৫৭৯ বর্গফুট।

২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর সাইফুজ্জামান চৌধুরীর এই ফ্ল্যাট দুটি ক্রোকের আদেশ দেয় ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত।

আদালতের আদেশে দুদকের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের পরিচালককে ফ্ল্যাট দুটির নিয়ন্ত্রণে নেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়। তবে এগুলো তালাবন্ধ থাকার কারণে তিনি সেখানে ঢুকতে পারছিলেন না।

পরে দুদকের করা আরেকটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৯ এপ্রিল তালা খুলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তাকে ওই ফ্ল্যাট দুটিতে প্রবেশ ও মালামালের তালিকা তৈরির অনুমতি দেয়া হয়।

একইসাথে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং ভবনটির ব্যবস্থাপক ইমরান হোসেনকেও নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়।

চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি দুদকের আবেদনে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে থাকা ৩৩০টি বাড়ি, ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট জব্দের আদেশ দেয় আদালত।