আ’লীগের নেতাকর্মীদের গেরিলা প্রশিক্ষণ

মেজর সাদিকুলের স্ত্রী সুমাইয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সারাহ ফারজানা হক তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
আদালত প্রাঙ্গণে মেজর সাদিকের স্ত্রী সুমাইয়া
আদালত প্রাঙ্গণে মেজর সাদিকের স্ত্রী সুমাইয়া |সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গেরিলা প্রশিক্ষণের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় মেজর সাদিকুল হকের স্ত্রী সুমাইয়া তাহমিদ যাফরিন (২৬) দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তিনি স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সারাহ ফারজানা হক তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

গত ৬ আগস্ট তাকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গ্রেফতার করে। পরের দিন ৭ আগস্ট তার এ মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো: সেফাতুল্লাহ।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৮ জুলাই বসুন্ধরা সংলগ্ন কে বি কনভেনশন সেন্টারে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ‘গোপন বৈঠকের’ আয়োজন করে। দিনভর বৈঠকে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা মিলে অংশ নেন তিন থেকে চার শ’ জন। সেখানে তারা ‘সরকারবিরোধী স্লোগান’ দেন।

সেখানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পেলে সারাদেশ থেকে ঢাকায় লোক জড়ো করা, শাহবাগ মোড় দখল করে ‘অস্থিতিশীল পরিস্থিতি’ সৃষ্টি করা, মানুষের মধ্যে ‘আতঙ্ক সৃষ্টি করে’ শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিশ্চিত করার মতো পরিকল্পনা করা হয়।

এ ঘটনায় ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জ্যোতির্ময় মণ্ডল গত ১৩ জুলাই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ভাটারা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। বাসস