রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা

সোহেল ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল

সোহেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে হত্যায় সহোযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
আদালতে অভিযুক্ত সোহেল রানা
আদালতে অভিযুক্ত সোহেল রানা |ইন্টারনেট

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ। এতে সোহেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে হত্যায় সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসাকে জোরপূর্বক নিজেদের ফ্ল্যাটে ধরে নিয়ে যান সোহেল রানা। শিশুটি চিৎকার করতে চাইলে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে বাথরুমের ভেতরে তাকে ধর্ষণ করা হয় এবং একপর্যায়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে আলামত নষ্ট ও লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির মাথা শরীর থেকে আলাদা করে একটি বালতিতে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় স্বজনরা দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। এসময় স্থানীয়দের ভেতরে ঢুকতে বাধা দিয়ে স্বামী সোহেল রানাকে পালাতে সরাসরি সাহায্য করেছিলেন স্বপ্না।

নিহত রামিসা আক্তার রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। এই নৃশংস ঘটনার পর শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে আজ আদালতে এই চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিয়েছে।