অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় গ্রেফতার অর্থনীতিবিদ ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল বারকাতকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তবে অধস্তন আদালতে পাসপোর্ট জমা রাখতে হবে।
হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকার জেলা প্রশাসকের করা আবেদন বৃহস্পতিবার (২১ মে) খারিজ করে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব ও ব্যারিস্টার মো: মুস্তাফিজুর রহমান খান।
অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের নামে মামলা করে দুদক। এই মামলায় ১১ জুলাই রাতে আবুল বারকাতকে গ্রেফতার করা হয়।
দুদকের দাবি, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান ও আবুল বারকাত পরস্পর যোগসাজশে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে এননটেক্স গ্রুপের ২২টি প্রতিষ্ঠানকে ২৯৭ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিলেন। আতিউর রহমান, তার সহযোগী অন্য ব্যক্তিরা বিভিন্ন অনৈতিক কৌশলে এই অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর তিন বছরের জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক বারকাতকে।
জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দুই মেয়াদে পাঁচ বছর দায়িত্ব পালনের পর ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে বিদায় নেন বারাকাত। তার সময়ে ভালো ব্যাংকের কাতারে থাকা জনতা ব্যাংক আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে।



