বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে কারাগার থেকে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।
এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তাদের তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ চলমান। এখন পর্যন্ত ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মামলার ১৩তম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের কথা রয়েছে।
ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো: গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেলে ১৩তম সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
গত ১৬ জুন ট্র্যাইব্যুনাল-১ পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে হাজির হতে দু’টি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল এবং পরদিন দু’টি পত্রিকায় শেখ হাসিনা ও কামালকে সাত দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
তবে বিজ্ঞপ্তি দেয়ার পরেও পলাতক দুই আসামি ট্রাইব্যুনালে হাজির না হওয়ায় তাদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে (স্টেড ডিফেন্স) নিযুক্ত আইনজীবী মো: আমির হোসেন এই মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি করেন। সে অনুযায়ী শুনানি শেষে গত ১০ জুলাই এই মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদেশ দেন ট্র্যাইব্যুনাল। তারই ধারাবাহিকতায় মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই মামলায় ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।



