নজরুল-তাসলিমার ৫৭ কোটি ৬১ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ ক্রোকের আদেশ

‘নজরুল ইসলামের নামে ৩৮ কোটি ৩৯ লাখ ১৩ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রী তাসলিমা ইসলামের নামে ১৯ কোটি ২২ লাখ ৫৪ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ রয়েছে। এসব সম্পদের মধ্যে ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, ময়মনসিংহ, পটুয়াখালী, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও আবাসিক প্লট রয়েছে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) |সংগৃহীত

ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী তাসলিমা ইসলামের নামে থাকা ৫৭ কোটি ৬১ লাখ ৬৭ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো: শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। দুদকের উপ-পরিচালক ও টিম লিডার মো: মশিউর রহমান এ আবেদন করেন।

দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো: তানজির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদক জানায়, নজরুল ইসলামের নামে ৩৮ কোটি ৩৯ লাখ ১৩ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রী তাসলিমা ইসলামের নামে ১৯ কোটি ২২ লাখ ৫৪ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ রয়েছে। এসব সম্পদের মধ্যে ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, ময়মনসিংহ, পটুয়াখালী, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও আবাসিক প্লট রয়েছে।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, নজরুল ইসলাম ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের গ্রাহকদের সঞ্চয়ের অর্থে বিভিন্ন ব্যাংকে রাখা এমটিডিআর (এফডিআর) এর অর্থ আত্মসাৎ, প্রতিষ্ঠানের নামে অতিরিক্ত দামে জমি ক্রয়সহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িত। তার বিরুদ্ধে অন্যদের সাথে সাতটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেগুলোর তদন্ত চলমান রয়েছে।

দুদক জানায়, ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর নজরুল ইসলামকে একটি মামলায় গ্রেফতার করে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তিনি আবেদনে উল্লেখ করা বিভিন্ন সম্পদের মালিক বলে তথ্য দেন।

আবেদনে আরো বলা হয়, অনুসন্ধানকালে দুদক জানতে পারে, নজরুল ইসলাম ও তাসলিমা ইসলাম তাদের নামে থাকা স্থাবর সম্পদ হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। এসব সম্পদ হস্তান্তর হলে রাষ্ট্রের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

এ কারণে এসব স্থাবর সম্পদ ক্রোকের প্রয়োজনীয় আদেশ চেয়ে আদালতে আবেদন করে দুদক। বাসস