সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকসহ আটজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন– রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো: নুরুল হুদা, সদস্য (অর্থ ও এস্টেট) আইম গোলাম কিবরিয়া, সদস্য মো: আবু বক্কার সিকদার, সদস্য (পরিকল্পনা) মো: আনোয়ারুল ইসলাম সিকদার, সদস্য (এস্টেট) আখতার হোসেন ভূঁইয়া, সাবেক যুগ্ম সচিব ও সদস্য (উন্নয়ন) এম মাহবুবুল আলম এবং সদস্য (প্রশাসন ও ভূমি) নাজমুল হাই।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো: সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো: রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও নিজেরা লাভবান হয়ে বা অন্যকে লাভবান করার অসৎ উদ্দেশ্যে অপরাধমূলক অসদাচরণ এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে তাদের ওপর অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি আসামী এ বি এম খায়রুল হক তার নামে বরাদ্দ বাতিলকৃত প্লটের বরাদ্দ রি-স্টোর করে এবং ওই প্লট বরাদ্দ বিজ্ঞপ্তির ১৭ নম্বর ক্রমিক এবং প্লট বরাদ্দের প্রসপেক্টাস এর ১১ নম্বর ক্রমিকে শর্ত লঙ্ঘন করে সুদ বাবদ ধার্য্যকৃত চার লাখ ৭৪ হাজার টাকা মওকুফ করে ওই প্লট বরাদ্দ বিজ্ঞপ্তির ১৭ নম্বর ক্রমিক এবং প্লট বরাদ্দের প্রসপেক্টাস এর ১১ নম্বর ক্রমিকে শর্ত লঙ্ঘন করে সুদ বাবদ চার লাখ ৭৪ হাজার টাকা পরিশোধ না করে অবৈধভাবে রাজউকের কর্মকর্তাদের দ্বারা সুদ মওকুফ করিয়ে ওই টাকা সরকারের ক্ষতিসাধনপূর্বক আত্মসাত করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। আসামিরা ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। সুতরাং, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন। তারা দেশত্যাগ করে বিদেশে পালিয়ে গেলে মামলার গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র প্রাপ্তিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে। তাছাড়া সার্বিক অনুসন্ধানকাজে বিঘ্ন সৃষ্টিসহ সমূহ ক্ষতির কারণ রয়েছে। বাসস



