পুলিশের হেফাজতে জনি হত্যা মামলায় হাইকোর্টে রায় দেয়া শুরু

২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের ইরানি ক্যাম্পের বাসিন্দা মো: বিল্লালের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান ছিল। ওই অনুষ্ঠানে পুলিশের সোর্স সুমন নারীদের সাথে অশালীন আচরণ করেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
জনির মৃত্যুতে বিচারিক আদালতের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে করা আপিলের রায় দেয়া শুরু হয়েছে।
জনির মৃত্যুতে বিচারিক আদালতের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে করা আপিলের রায় দেয়া শুরু হয়েছে। |সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে পুলিশের হেফাজতে ইশতিয়াক হোসেন জনির মৃত্যুতে বিচারিক আদালতের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে করা আপিলের রায় দেয়া শুরু হয়েছে।

আজ রোববার হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করছেন। এ মামলায় পাঁচ আসামির মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দু’জনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলে বিচারিক আদালত।

এর আগে গত ৭ আগস্ট এ মামলার দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামিদের করা আপিলের শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ঠিক করা হয়।

২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের ইরানি ক্যাম্পের বাসিন্দা মো: বিল্লালের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান ছিল। ওই অনুষ্ঠানে পুলিশের সোর্স সুমন নারীদের সাথে অশালীন আচরণ করেন। তখন সেখানে থাকা জনি ও তার ভাই ইমতিয়াজকে সুমন চলে যেতে বলেন। এ নিয়ে সুমনের সাথে দুই ভাইয়ের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে সুমনের ফোন করলে পুলিশ এসে জনি ও ইমতিয়াজকে ধরে নিয়ে যায় এবং থানায় নিয়ে দুই ভাইকে নির্যাতন করে।

এতে জনির অবস্থা খারাপ হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় তার ভাই ইমতিয়াজ হোসেন একই বছরের ৭ আগস্ট মামলা করেন। এতে তৎকালীন পল্লবী থানার এসআই জাহিদুর রহমানসহ আটজনকে আসামি করা হয়।

এই মামলাটি ২০১৩ সালে হওয়া নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনের প্রথম মামলা।

২০১৬ সালের এ মামলায় পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ঢাকার বিচারিক আদালত। এরপর বিচার শেষে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে রায় দেয়া হয়।

সূত্র : বিবিসি