ঢাবি শিক্ষার্থী মিমোকে আত্মহত্যার প্ররোচনা : শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তী কারাগারে

মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সুদীপ চক্রবর্তী
সুদীপ চক্রবর্তী |ইন্টারনেট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মিমোকে (২৬) আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে (৪৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ বুধবার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।

এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর উত্তর বাড্ডা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সুদীপকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ৩ মে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনজুরুল ইসলাম এ মামলায় তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৬ এপ্রিল সকালে বাড্ডার বাসায় মুনিরা মাহজাবিন মিমোকে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার বাবা। ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। ওই ঘটনায় একইদিন মিমোর বাবা গোলাম মোস্তফা মেয়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বাড্ডা থানায় সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।