চার মামলায় খায়রুল হককে হাইকোর্টের জামিন

এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। ওই রায়ের ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
দুদক
দুদক |ইন্টারনেট

পৃথক চার মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো: সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ রোববার এই জামিন আদেশ দেন।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, ব্যারিস্টার সারাহ হোসেন, মোতাহার হোসেন সাজু ও সাঈদ আহমেদ রাজা। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল ইসলাম সুমন।

এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। ওই রায়ের ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়।

জুলাই আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের প্রায় এক বছর পর গত ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এছাড়া বেআইনি রায় দেয়া ও জাল রায় তৈরির অভিযোগে গত বছরের ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে একটি মামলায় খায়রুল হককে গ্রেফতার দেখানো হয়।

এছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার-সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে গত বছরের ২৭ আগস্ট রাজধানীর শাহবাগ থানায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন একটি মামলা করেন। একই অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় গত ২৫ আগস্ট আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা।

এই চার মামলায় আজ হাইকোর্টে জামিন পেয়েছেন খায়রুল হক। এদিকে এই চার মামলার বাইরে বিধিবহির্ভূতভাবে প্লট গ্রহণের অভিযোগে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সূত্র : বাসস