মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না

প্রার্থিতা ফিরে পেতে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর করা রিট খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। ফলে ঋণখেলাপি থাকায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর
কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর |সংগৃহীত

প্রার্থিতা ফিরে পেতে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর করা রিট খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। ফলে ঋণখেলাপি থাকায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান, ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ, অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন। হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসাইন লিপু, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা, অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।

পরে হাসনাতের আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু বলন, আদালতের কাছে ঋণখেলাপির তথ্য গোপন করে প্রতারণা করেছেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। আদালত আজ তার প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন। এখন তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। তবে তিনি হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিট শুনানির জন্য বুধবার দিন নির্ধারণ করেন হাইকোর্ট।

আদালতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ, অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন। হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা, অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।

গত ১৯ জানুয়ারি কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেয়া সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন। ১৭ জানুয়ারি আপিলে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে ইসি। ইসির ১৭ জানুয়ারির সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়েছে রিট আবেদনে।

এর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করেছিলেন এই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি আপিলে অভিযোগ করেছিলেন, বিএনপির প্রার্থী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে শুনানি শেষে গত ১৭ জানুয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর আপিল মঞ্জুর করে ইসি। সেদিন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।