স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর তিন দিন পর হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলা শাখার সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম।
মানবিক দিক বিবেচনায় হাইকোর্ট তার ছয় মাসের জামিন মঞ্জুর করে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঞার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে সাদ্দামের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা।
গত শুক্রবার বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী ও তার নয় মাস বয়সী ছেলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরদিন শনিবার সন্ধ্যায় প্যারোল না পাওয়ায় সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের লাশ অ্যাম্বুলেন্সে করে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের গেটে নিয়ে যাওয়া হয়।
কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলগেটের ভেতরে মৃত স্ত্রী ও ছেলেকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেয়া হয় সাদ্দামকে।
সাদ্দামকে প্যারোলে মুক্তি না দিয়ে জেলগেটে লাশ দেখানোর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার জন্ম দেয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘সাদ্দামকে তার বিরুদ্ধে করা সাত নম্বর মামলায় আদালতে উপস্থিত সব আইনজীবীর সম্মতিতে জামিন দেয়া হয়। বিষয়টাকে বিশেষভাবে দেখা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেফতার হন জুয়েল হাসান সাদ্দাম। এরপর থেকেই তিনি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন।



