শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্পিকারের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের সবাই উদ্বিগ্ন এই বৃষ্টির সিজনের পরীক্ষা নিয়ে। আমরা কন্সট্যান্ট মনিটরিংয়ে ছিলাম, এখনো আছি। সারাদিনই আমরা এ কাজটি করে থাকি।
তিনি বলেন, সেখানে দেখা গিয়েছে, যদি পরীক্ষার কোনো কেন্দ্রে পানি উঠে থাকে, তাৎক্ষণিকভাবে আমরা কেন্দ্র সরিয়ে দেই। লোকাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ যাবৎ শুধু একটি কলেজ, কুমিল্লা সরকারি কলেজের বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেই কলেজের মাঠটা ভরে গিয়েছিল। তাছাড়া অন্যান্য জায়গায় যখনই পানি উঠেছে, তবে সেটা তেমন বেশি নয়, গুটিকয়েক এবং সাথে সাথেই কেন্দ্র পাল্টানো হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের যে সুবিধা দেয়ার, সেই সুবিধা দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা সবসময় উদ্বিগ্ন ছিলাম, আমরা কন্টিনিউয়াস মনিটরিং করে এই কাজগুলো করছি। সেই ক্ষেত্রে আমরা মনে করি, যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের শুধরে দেয়া আমাদের জন্য কোনো বিরাট কাজ নয়। কারণ আমরা অনেক জায়গায় পরীক্ষা বন্ধ করেছি এবং আবার আমাদের কোশ্চেন সেট রয়েছে, আমরা আবার তাদের পরীক্ষা নেব।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, আমরা আবারো পর্যালোচনা করছি যদি কোথাও আমাদের প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি ওঠার পর যদি পরীক্ষা না দিতে পেরে থাকে এই জরিপটা আমাদের কাছে আসার পরে সেভাবে প্রয়োজনে পুনরায় পরীক্ষাও নিতে পারি। আমরা চিটাগাং বোর্ডে এ ব্যবস্থাটি করেছি এবং সেই অবস্থান আমাদের রয়েছে। সেজন্য আবারো অনুরোধ করব, শিক্ষার্থীরা যার যার পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, তাদের চেয়ে আমরাই উদ্বিগ্ন। তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন যে কিভাবে তাদের আমরা পরীক্ষা সঠিকভাবে নেব। এই দুর্যোগ মোকাবিলা করব।
তিনি আরো বলেন, আমি আবারো আশ্বাস দিচ্ছি যেসব পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ধরনের ভুল-ত্রুটি হয়েছে, সেখানে রি-এক্সামিন নেয়ার প্রভিশনও আমাদের রয়েছে। এরা আমাদের ভবিষ্যৎ। এদের আমরা কোনো অবস্থায় ডিপ্রাইভ করতে পারি না, করব না। সেটাই আমি মহান সংসদের মাধ্যমে জাতিকে জানাতে চাচ্ছি।



