চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় ‘দ্য নেটওয়ার্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল ল’ স্টুডেন্টস (নিলস্)-লিগ্যাল এমপাওয়ারমেন্ট বাংলাদেশ (এলইবি) ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি ২০২৬।
শুক্রবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে নিলস্ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাপ্টার এবং এলইবি-এর যৌথ আয়োজনে ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
দুই দিনব্যাপী এই জাতীয় আয়োজনে দেশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫০০-এর অধিক অংশগ্রহণকারী অংশগ্রহণ করছেন। সংসদীয় কার্যক্রম, আইন প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ, বিতর্ক, আইনগত বিশ্লেষণ এবং সমসাময়িক আইন ও সুশাসনবিষয়ক আলোচনার মাধ্যমে তরুণদের বাস্তবভিত্তিক আইনসভা কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা প্রদানের লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি জাফর আহমেদ। অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামসুল হক, চবি প্রো-ভিসি (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমিন, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো: শফিকুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি জিয়াউল হক, চবি আইন অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর এ. বি. এম. আবু নোমান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি মুহাম্মদ মহিউদ্দিন।
অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ব্যক্তিগত নীতিপত্র উপস্থাপন করা হয়। মধ্যাহ্নভোজ ও নামাজের বিরতির পর বক্তাদের উদ্দেশে প্রশ্নোত্তর এবং সংসদ সদস্যদের পারস্পরিক প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর ব্যক্তিগত নীতিপ্রস্তাব ও প্রস্তাবিত সংশোধনী নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
তরুণদের আইনসভা কার্যক্রমের বাস্তব অভিজ্ঞতা এই আয়োজনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা আইন প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ, যুক্তিনির্ভর বিতর্ক, আইনগত বিশ্লেষণ এবং সংসদীয় কার্যক্রমের বিভিন্ন ধাপ সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন।
আয়োজকদের মতে, দ্বিতীয় দ্য নেটওয়ার্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল ল’ স্টুডেন্টস (নিলস্)-লিগ্যাল এমপাওয়ারমেন্ট বাংলাদেশ (এলইবি) ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি ২০২৬ কেবল একটি আইনসভা অনুকরণমূলক আয়োজন নয়; বরং তরুণদের নেতৃত্ব, গবেষণা, আইনগত বিশ্লেষণ, জনসমক্ষে বক্তব্য প্রদান, নীতিনির্ধারণী সক্ষমতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উদ্যোগ।
শনিবার অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে প্রস্তাবিত সংশোধনী উপস্থাপন, সংশোধনী নিয়ে সমালোচনামূলক পর্যালোচনা ও আলোচনা, সংশোধিত খসড়া বিলের ওপর ভোট প্রদান এবং বিল আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হবে।



