আদিব হাসান প্রান্ত, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রাণিসম্পদ, পোল্ট্রি এবং মৎস্য খাতে ৭.৫ হাজার কোটি টাকার ভ্যাকসিনের বাজার থাকলেও সরকারি-বেসরকারি পর্যায় সব মিলিয়ে ৩০০-৪০০ কোটি টাকার ভ্যাকসিন দেশীয়ভাবে উৎপাদন করা হয়। আর ৩-৩.৫ হাজার কোটি টাকার ভ্যাকসিন বিদেশ থেকে আমদানি করা হয় বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অণুজীব বিজ্ঞানী ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: আলিমুল ইসলাম।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ব্র্যাক-সিডিএম (BRAC-CDM)-এ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে প্রাণিসম্পদ, পোল্ট্রি এবং হিউম্যান ভ্যাকসিন উৎপাদন বিষয়ে এন্টারপ্রিনিউর ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এতে অন্যদের মধ্যে কানাডার কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, উদ্ভাবন ও ফলাফল বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. টিম ইভান্স এবং জাস্ট সাস্টেইনিবিলিটি বাংলাদেশ-এর যুগ্ম সম্পাদক সাকিব আল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় ড. টিম জানান, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ করলে কানাডার ভ্যাকসিন ম্যানুফ্যাকচারিং ও ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোর বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রকল্পের মাধ্যমে এ খাতে প্রযুক্তিগত ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করার সুযোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকার ভ্যাকসিনের দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে এবং আমদানি-নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি খামারিদের সুরক্ষায় নানা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গবাদিপশুতে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (LSD) এবং ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ (FMD)-সহ প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতের রোগবালাই মোকাবেলার জন্য টিকা আমদানির পরিমাণ কমিয়ে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব বলে জানান প্রফেসর ড. মো: আলিমুল ইসলাম।
তিনি বলেন, কারিগরি সহযোগিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে ল্যাব সুবিধা বৃদ্ধি করা গেলে দেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন করে দেশীয় চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি বিদেশে রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।



