ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামি অনিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরো দুই কিশোরকে আসামি করা হয়েছে। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছে।
পুলিশ জানায়, রোববার (১৪ জুন) আসামি অনিককে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে সে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। এর আগে, শনিবার (১৩ জুন) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার অনিক আশুগঞ্জ উপজেলার সোনারামপুর কলাবাগান এলাকার মনু মিয়ার ছেলে। মামলার অপর দুই আসামি একই এলাকার জাকারিয়া ও ইমরান। তারাও কিশোর বয়সী।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল আলম চৌধুরী বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা আশুগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অনিক, জাকারিয়া ও ইমরানকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া অনিক আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে এবং পলাতক দুই আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, বুধবার (১০ জুন) রাত ৮টার দিকে আশুগঞ্জের কলাবাগান এলাকায় দোকানে যাওয়ার পথে ওই কিশোরীকে স্থানীয় তিন কিশোর পাশের একটি ভবনের পঞ্চম তলায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোরপূর্বক আটকে রেখে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর অভিযুক্তরা বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভয়ে কিশোরী প্রথমে কাউকে কিছু না বললেও পরে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে মায়ের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে। এরপর শনিবার তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।



