গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভোরের পাখি গ্রামের অর্ধশতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি তিস্তা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে। কাপাসিয়া ইউনিয়নসহ আরো বিভিন্ন ইউনিয়নের চরাঞ্চলের বসতভিটা ও শত শত একর জমি এবং প্রয়োজনীয় রাস্তাঘাট তিস্তা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদীভাঙনে দিশাহারা পড়েছে কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভোরের পাখি গ্রামসহ নদীর পাড়ের মানুষজন।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে নদীভাঙনে ভোরের পাখি গ্রামের প্রায় ৬০ পরিবার তিস্তা নদীভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে।
ভোরের পাখি গ্রামের কমলা বেগম বলেন, ‘আমার জমি-জিরাত সবগুলো আগেই নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। রাতের বেলায় একটু বাড়িতে ঘুমাতে পারতাম তাও আজ তিস্তা ভেঙে নিয়ে চলে গেল। এখন আমি কোথায় রাত কাটাবো জানি না।’
নদীভাঙন এলাকার রেজাউল করিম বলেন, ‘আমার শেষ সম্বল বসতভিটা ছিল সেটাও আজ তিস্তা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেল। আমরা ছেলে মেয়েসহ সকলে কোথায় থাকবো আল্লাহ ভালো জানেন।’
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলির সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আবারো নতুন করে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে বিষয়টি আমি শুনেছি।’
গাইবান্ধা জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, নদীভাঙনের খবর পাওয়া মাত্র ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। নদীভাঙন এলাকায় জিওব্যাগ ফেলার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে।



