ধামরাই (ঢাকা) সংবাদদাতা
ঢাকার ধামরাইয়ে প্রায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা পপি রানী সরকার নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্বামী লিটন সরকারকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (৩ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের গোমগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পপি উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের গোমগ্রাম এলাকার নরেশ সরকারের ছেলে লিটন সরকারের স্ত্রী।
এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী লিটন স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করেন। মারধরের পর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় পপিকে কালামপুর হলি জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তাদের দাবি, ওই মারধরের কারণেই পপির মৃত্যু হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা অভিযুক্ত স্বামী লিটনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে ধামরাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। একইসাথে লিটনকে পুলিশের হেফাজতে নিয়ে থানায় আনা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রায় আট বছর আগে লিটন ও পপির বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিন ও পাঁচ বছর বয়সী দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। লিটন নিজে মাদকাসক্ত এবং বিয়ের পর থেকেই প্রায়ই স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করতেন।
ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বামী লিটনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে।’



