খাগড়াছড়িতে কয়েক ঘণ্টার টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে জেলা সদরের কয়েকটি এলাকাসহ দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তাদের খাদ্য সহায়তায় এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখা।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) গভীর রাত থেকে শুরু হয়ে শনিবার ভোর পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট এ বন্যায় শতশত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
খাগড়াছড়ি সদরের গঞ্জপাড়া মুসলিম পাড়াসহ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল ও দীঘিনালার কবাখালী, জামতলিসহ বেশ কয়েকটি এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়। তবে সকাল থেকে বৃষ্টি না থাকায় পরিস্থিতি উন্নতি হতে থাকে।
দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের বেলুন মেকার শুভতি চাকমা জানান, মধ্যরাতের পর থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১০৩ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে কয়েকটি স্থানে পাহাড় ধসে দীঘিনালা-সাজেক সড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে মাটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৌম্য তালুকদার বলেন, ‘খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের ৫ মাইল ও ৯ মাইল এলাকায় পাহাড় ধসে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। তবে ইতোমধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।
দুপুরে খাগড়াছড়ি পৌর শহরে ক্ষতিগ্রস্ত পানিবন্দি মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান পৌর প্রশাসক রুমানা আক্তার।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো: আনোয়ার সাদাত জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রয় কেন্দ্রগুলো উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। একই সাথে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহায়তা পৌঁছানোর কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে শনিবার সন্ধ্যায় জামায়াতের পক্ষ থেকে জেলা সদরের গঞ্জপাড়া এলাকায় পানিবন্দি পরিবারগুলোকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়। এ সময় জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি মিনহাজুর রহমান, সদর উপজেলা আমির মো: ইলিয়াসসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।



