চুয়াডাঙ্গায় পৃথক ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুবায়ের হোসেন (১৬) নামে এক শিক্ষার্থী ও বজ্রপাতে নাজমুল হোসেন (২৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
এর মধ্যে জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলায় বাড়ির গ্রিলে বিদ্যুতায়িত হয়ে জুবায়ের হোসেনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহত জুবায়ের আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাঙবাড়ীয়া ইউনিয়নের বগাদী গ্রামের হাফিজুল ইসলামের ছেলে। সে চলতি বছর ভোগাইল-বগাদী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ফলপ্রার্থী ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির গ্রিলে হাত দিলে জুবায়ের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়রা বলছেন, বৈদ্যুতিক তারের লিকেজ থেকে বাড়ির গ্রিল বিদ্যুতায়িত হয়েছিল। অসাবধানতাবশত গ্রিলে হাত দিলে জুবায়ের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: আফরিনা ইসলাম বলেন, ‘নিথর অবস্থায় ওই কিশোরকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত পাওয়া যায়। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছিল।’
অপর ঘটনায় জেলার দামুড়হুদা উপজেলায় মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষক নাজমুল হোসেনের মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে রুদ্রনগর মাঠে পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নাজমুল হোসেন উপজেলার রুদ্রনগর গ্রামের জসীম উদ্দীনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে পাওয়ার টিলার নিয়ে নিজের জমি চাষ দিতে যায় নাজমুল হোসেন। দুপুর ২টার দিকে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় মাঠে কাজ করছিলেন নাজমুল হোসেন। মাঠেই বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন তিনি।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিন বলেন, কৃষিকাজ করার সময় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।



