চট্টগ্রামে আবারো দুই শিশু ধর্ষণের শিকার

বায়েজিদ ও ডবলমুরিং থানা এলাকায় পৃথক ঘটনায় দুই শিশুকন্যা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ডবলমুরিং এলাকায় অভিযুক্তকে আটক করতে গিয়ে স্থানীয়দের রোষের মুখে পড়ে প্রায় দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন পুলিশ সদস্যরা।

ওমর ফারুক, চট্টগ্রাম ব‍্যুরো

Location :

Chattogram

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় উত্তেজনা ও সংঘর্ষের রেশ না কাটতেই একদিনের ব্যবধানে দুই এলাকায় আরো দুই শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

বায়েজিদ ও ডবলমুরিং থানা এলাকায় পৃথক ঘটনায় দুই শিশুকন্যা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ডবলমুরিং এলাকায় অভিযুক্তকে আটক করতে গিয়ে স্থানীয়দের রোষের মুখে পড়ে প্রায় দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন পুলিশ সদস্যরা।

শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে নগরের বায়েজিদ থানার মোহাম্মদনগর এলাকা থেকে ৫ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মোহাম্মদ হাসান নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে ১০ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন তিনি। পরে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানায়। এরপর ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়।

বায়েজিদ থানার তদন্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, পরিবারের করা মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে নগরের ডবলমুরিং থানার হাজীপাড়া এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় লোকজন এক যুবককে আটক করে মারধর করেন। পরে তাকে উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়েন পুলিশ সদস্যরা। প্রায় দুই ঘণ্টা হাজীপাড়ায় অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকতে হয় পুলিশ ও অভিযুক্তকে।

পরে বিচারের আশ্বাস দিয়ে অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যেতে সক্ষম হন ডবলমুরিং থানার পুলিশ সদস্যরা। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তের পরিচয় জানা যায়নি।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আমিনুর রশিদ বলেন, ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে পুলিশ অবরুদ্ধ থাকার বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

এর আগে বৃহস্পতিবার নগরের বাকলিয়া এলাকায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিকেল পাঁচটা থেকে মধ্যরাত দুইটা পর্যন্ত স্থানীয় লোকজনের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ চলে। এতে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেটে দুই সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।