এসএমপির অভিযানে জুনে আটক ২,৩২২

বিপুল মাদক ও ভারতীয় চোরাইপণ্য জব্দ

শুক্রবার (৩ জুলাই) এই তথ্য জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ মনজুরুল আলম।

এমজেএইচ জামিল, সিলেট ব্যুরো

Location :

Sylhet
এসএমপি
এসএমপি |সংগৃহীত

সিলেট নগরীতে অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত জুন মাসজুড়ে ব্যাপক চিরুনি অভিযান চালিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। মাসব্যাপী পরিচালিত এসব অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ২ হাজার ৩২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইসাথে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়েছে। এক মাসে ট্রাফিক আইন অমান্যের অভিযোগে ৪ হাজার ৩৬০টি যানবাহনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) এই তথ্য জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ মনজুরুল আলম।

এসএমপি সূত্র জানিয়েছে, গত জুন মাসের সাড়াশি অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৭৪৪ জন মাদকসেবী ও মাদক কারবারি, ১৭৬ জন জুয়াড়ি, ২০ জন ছিনতাইকারী, ৩৬ জন চোর-ডাকাত, ২৬ জন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি, ১৮৮ জন হকার, ১৮৯ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, ৭২৫ জন মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং অন্যান্য আইনে ২১৮ জন রয়েছেন।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৮৫২ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মাসব্যাপী অভিযানে ১০ হাজার ৬৭৪ পিস ইয়াবা, ২৮ কেজি ২৯৫ গ্রাম গাঁজা, ৭৯২ লিটার চোলাই মদ ও ৬ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়া চোরাচালানবিরোধী অভিযানে জব্দ করা হয়েছে ১৭ হাজার ৬১০ কেজি ভারতীয় জিরা, ১৭ হাজার ৮৯ পিস ভারতীয় চকলেট, ২৬ হাজার ৬৭৫ পিস ভারতীয় কসমেটিকস, ৩ হাজার ৫১৫ কেজি অবৈধ চা-পাতা, ৯ লাখ ৮৭ হাজার পিস শেখ নাসির উদ্দিন বিড়ি, ১৬২টি ভারতীয় কম্বল ও ১০০টি ভারতীয় শাড়ি।

অন্যদিকে, ট্রাফিক বিভাগ গেল জুন মাসে ৪ হাজার ৩৬০টি যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৭টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং ২ হাজার ৩৫৩টি বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আটক করা হয়েছে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ মনজুরুল আলম জানান, সিলেট মহানগরীতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।